মেনু নির্বাচন করুন

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা


পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও বাজেট
২০১৭-২০২১

 

 

 

 

 

 পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদ
উপজেলা- দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, জেলা-সুনামগঞ্জ

ওয়েবসাইটের ঠিকানা- paschimpagla.sunamganj.gov.bd
ই-মোইল- up_paschimpagla@lgsplgd.gov.bd

কারিগরি সহায়তায়ঃ
ইউনিয়ন পরিষদ গভর্ন্যান্স প্রজেক্ট (ইউপিজিপি), স্থানীয় সরকার বিভাগ।
              

কারিগরি সহায়তায়ঃ
ইউনিয়ন পরিষদ গভর্ন্যান্স প্রজেক্ট (ইউপিজিপি), স্থানীয় সরকার বিভাগ।
               
 

 

স্বত্ব ঃ পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদ
        দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, সুনামগঞ্জ।

প্রকাশকাল ঃ জানুয়ারি ২০১৭খ্রিঃ

তথ্য সংগ্রহ ও পরিকল্পনা প্রণয়নে ঃ  পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদ
                দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, সুনামগঞ্জ।

তথ্য সংগ্রহে সহযোগিতায় ঃ আলী  হোসেন
            সচিব, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদ, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, সুনামগঞ্জ।

কারিগরি সহযোগিতায় ঃ ইউপিজিপি টিম
                  ইউনিয়ন পরিষদ গভর্ন্যান্স প্রজেক্ট (ইউপিজিপি), সুনামগঞ্জ।

কৃতজ্ঞতায় ঃ উপ পরিচালক
     স্থানীয় সরকার, সুনামগঞ্জ।

প্রকাশক/প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ঃ অক্ষর বিন্যাস, সুনামগঞ্জ।

সার্বিক সহযোগিতায় ঃ মোঃ নুরুল হক
              চেয়ারম্যান, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদ, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, সুনামগঞ্জ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মুখবন্ধ

 

 

ইউনিয়ন পরিষদ অতি প্রাচীন একটি প্রতিষ্ঠান। গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় এ প্রতিষ্ঠানের গতিশীল কার্যক্রম অত্যন্ত জরুরী।  বর্তমানের  ইউনিয়ন পরিষদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করা, ইউনিয়নে বসবাসকারী মানুষের প্রয়োজনানুসারে সেবা প্রদান করা। ইউনিয়ন পরিষদ যেহেতু তৃণমূল  জনগণের নিকটস্থ একটি প্রতিষ্ঠান, সেহেতু  তাদের  প্রয়োজনমত  সেবা প্রদানে  ইউনিয়ন পরিষদের  কার্যকরী ভূমিকা রাখার  সুযোগ ও সম্ভাবনা  দু’টোই রয়েছে। কিন্তু অতিব পরিতাপের বিষয় যে, পশ্চিম পাগলা  ইউনিয়নের চারদিকে  নদী, হাওর,  খাল ও বিল থাকায় অত্যন্ত দূর্গম  ইউনিয়ন হিসেবে সুনামগঞ্জের মানুষের নিকট  অতি পরিচিত। বছরের প্রায় অর্ধেক সময়ই এ ইউনিয়নের হাওরাঞ্চলসহ অন্যান্য স্থান  পানিতে নিমজ্জিত  থাকে।  ফলস্বরূপ, এখানকার যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই খারাপ। এ কারণেই মূলত এ অঞ্চলের জনগণ  ইউনিয়ন পরিষদের সেবাসমূহ থেকে প্রায়  সময়ই বঞ্চিত হচ্ছেন। উল্লিখিত বিষয়টিকে মাথায় রেখে এই ইউনিয়নের জনগণের সামগ্রিক উন্নয়নে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন দপ্তরের পেশাগত কর্মকা-ে পারদর্শী  কর্মকর্তাবৃন্দ  নিবেদিত ভাবে কাজ করছেন; এই প্রচেষ্টাকে সত্যিকার অর্থে ফলপ্রসু করতেই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের এই প্রয়াস।
 
ঈশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদের পঞ্চবার্ষিক বাজেট ও পরিকল্পনা প্রকাশ করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। অত্র ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, সচিব ও সচেতন নাগরিকগণের পরামর্শের ভিত্তিতে এবং সার্বিক সহযোগিতায় অত্র ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড সভা ও সকল শ্রেনীর জনসাধারণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এলাকার সমস্যাবলী, চাহিদা, প্রয়োজনীয়তা ও সম্পদ সমূহ নিরুপন করা হয়। ১৩টি স্ট্যান্ডিং কমিটি, অত্র ইউনিয়নে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাথে মত বিনিময়ের মধ্য দিয়ে এলাকার সমস্যাবলী ও অগ্রাধিকার নিরুপন করে এই পঞ্চবার্ষিক বাজেট ও পরিকল্পনা বইটি প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরিকল্পনাটি অত্র ইউনিয়নের একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। এই কার্যক্রমটি স্থানীয় সরকারকে আরও বেশী গতিশীল, শক্তিশালী ও জবাবদিহিতামূলক করবে এবং কর আদায় ও স্থানীয় সম্পদের ব্যবহার সুনিশ্চিত করবে। যা একটি ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন কর্মকান্ডকে আরও বেশী তরান্বিত করতে সাহায্য করবে বলে আমার  বিশ্বাস ।

দীর্ঘমেয়াদি  এ পঞ্চবার্র্ষিক পরিকল্পনাটি  অত্র ইউনিয়নের জনগণের  এসডিজি ভিত্তিক একটি আদর্শ  ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠায়  এবং জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে বলে আমি মনে করি। পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বইটি তৈরিতে কারিগরি সহয়তার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ গভর্ন্যান্স প্রজেক্ট (ইউপিজিপি),  সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর এবং বিশেষ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ, সুনামগঞ্জের  সকল কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

পরিশেষে, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের  নির্বাচিত প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের  সমন্বয়ে  যে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণিত হয়েছে তা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সমৃদ্ধ ইউনিয়ন গড়তে ইউনিয়নবাসীসহ সকলের ঐকান্তিক সহযোগিতা কামনা করছি।


      (মোঃ নুরুল হক)
           চেয়ারম্যান
পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদ    
  দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, সুনামগঞ্জ।                                                                                                                          

 

 

 

 

 


সম্পাদকের কথা

 

 

আজ যা বর্তমান, কাল তা ইতিহাস।  জীবনের  প্রতিটি ক্ষেত্রেই  মানুষ চায় সৃষ্টি হোক নতুন  ইতিহাস, সূচনা হোক গৌরবময় অধ্যায়ের।  প্রতিটি মানবমনের চিরন্তন বাসনা, সে তার সৃষ্টিশীলকর্মের  মধ্য দিয়ে  মানুষের অন্তরে বেঁচে থাকবে কাল থেকে কালান্তর। আমাদের আজকের এগিয়ে চলা সময় পেরোনোর সাথে সাথেই  সৃষ্টি হয়  আগামীদিনের  স্বপ্নবীজ বুনা। ভাল খারাপ অনেক কিছুর হিসেবই  আমরা গুলিয়ে ফেলি এগিয়ে চলা আপন গতিতে। হয়ত এভাবেই এগিয়ে যাব কোন এক স্বপ্নের আগামী সোপানে...।  কর্মময় জীবনে শত ব্যস্ততা  এবং বাধাবিপত্তি থাকা সত্ত্বেও একটি সুন্দর স্বপ্নকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঐতিহ্যবাহী পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদের দীর্ঘমেয়াদী  পঞ্চবার্ষিক বাজেট ও  পরিকল্পনা  প্রণয়ন করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি । উল্লেখ্য, পশ্চিম পাগলা  ইউনিয়ন পরিষদ নদী-নালা, হাওর-বাঁওড়, খাল-বিল কেন্দ্রিক। এ ইউনিয়নের মানুষজন বছরের অধিকাংশ সময়ই পানিবন্দী থাকেন। মোট জনসংখ্যার  প্রায়  ৬০% লোক মুসলিম। এখানকার জনগণের প্রধান পেশা কৃষি। এতদ্ব্যতীত দিনমজুর, মৎস্যজীবী, ব্যবসায়ীসহ অন্যান্য পেশায় কিছুসংখ্যক লোক জড়িত। সার্বিক দিক বিবেচনায় দেখা যায় যে, ইউনিয়নটি  যাতায়াত ব্যবস্থাসহ  শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশেন, পুষ্টি, সচেতনতা ও নারী উন্নয়নের  দিক থেকে  অনেক পিছিয়ে। তাই  অত্র ইউনিয়নের জনগণকে সম্পৃক্ত করে  পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে বার্ষিক বাজেট  পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন  করে আসছে। সেই সাথে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যরা  সার্বক্ষণিক  জনগণের পাশে থেকে  বিভিন্ন ধরণের  সেবা প্রদানসহ  জনগণের চাহিদানুযায়ী তথ্য প্রকাশ করে আসছে। ইউনিয়ন পরিষদের  উল্লেখযোগ্য কর্মকা-ের মধ্যে রয়েছে সর্বক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ, মূল্যায়ন  এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকা-ে নারীদের সম্পৃক্তকরণ  ইত্যাদি।

আশা রাখছি, পঞ্চবার্ষিক বাজেট ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে  অত্র ইউনিয়নের  সার্বিকচিত্রের   আমূল পরিবর্তন  আনা সম্ভব হবে। সর্বোপরি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বইটি তৈরিতে কারিগরি সহয়তার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ গভর্ন্যান্স প্রজেক্ট (ইউপিজিপি),  সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর এবং বিশেষ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ, সুনামগঞ্জের  সকল কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

পরিশেষে, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের  নির্বাচিত প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের  সমন্বয়ে  যে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণিত হয়েছে তা বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে সমৃদ্ধ ইউনিয়ন গড়তে ইউনিয়নবাসীসহ সকলের ঐকান্তিক সহযোগিতা কামনা করছি।

 

     জনাব আলী হোসেন
             সচিব
পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদ
  দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, সুনামগঞ্জ।

 

 

 


সূচিপত্র
প্রথম অধ্যায় ঃ বাজেট ও পরিকল্পনা প্রণয়ণের প্রেক্ষাপট ও প্রক্রিয়া ও কৌশল                     পৃষ্ঠা নং
পঞ্চ বার্ষিক বাজেট ও পরিকল্পনা প্রণয়ণের প্রেক্ষাপট                 ................................
পঞ্চ বার্ষিক বাজেট ও পরিকল্পনা প্রণয়ন প্রক্রিয়া ও কৌশল            ................................

দ্বিতীয় অধ্যায় ঃ এক নজরে .................................. ইউনিয়ন পরিষদ
ইউনিয়নের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস                        ................................        
ইউনিয়নের মানচিত্র/ জেলার মানচিত্রে ইউনিয়নের অবস্থান             ................................        
ইউনিয়নের সাধারণ তথ্যাবলী                         ................................
ইউনিয়নের জনমিতিক তথ্যাবলী                         ................................
ইউনিয়নের শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্যাবলী                     ................................
ইউনিয়নের পানি সরবরাহ ও পয়ঃ নিস্কাশন ব্যবস্থার সংক্রান্ত তথ্যাবলী        ................................
ইউনিয়নের নিজস্ব আয়ের উৎস ও সম্পদ সংক্রান্ত তথ্যাবলী            ................................
এই পঞ্চবার্ষিক বাজেট ও পরিকল্পনার সীমাবদ্ধতা                  ................................

তৃতীয় অধ্যায় ঃ পঞ্চবার্ষিক বাজেট ও পরিকল্পনা
পঞ্চবার্ষিক বাজেট ও পরিকল্পনা প্রণয়নে অগ্রাধিকার প্রাপ্ত খাত/ ইস্যু সমূহ        ................................
পঞ্চবার্ষিক বাজেট ও পরিকল্পনা প্রণয়নে অগ্রাধিকার প্রাপ্ত খাত/ ইস্যু সমূহ নির্বাচনের
কারণ / কমিউনিটিতে বিদ্যমান সমস্যা সমূহ            ................................
ক)                            ................................
খ)                            ................................
গ)                            ................................
ঘ)                             ................................
ঙ)                             ................................
অগ্রাধিকার প্রাপ্ত খাত/ ইস্যু সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটি সমূহের সুপারিশ
ক)                            ................................
খ)                                ................................
গ)                                ................................
ঘ)                             ................................
ঙ)                             ................................
খাতভিত্তিক ইস্যু এবং সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটি সমূহের খাতভিত্তিক সুপারিশকৃত
কার্যক্রমের তালিকা                            ................................

চতুর্থ অধ্যায় ঃ অর্থ সংস্থান ও বাজেট প্রণয়ন
পূর্ববর্তী ৩ বছরের সম্পদের যোগান এবং পরবর্তী ৫ বছরের অনুমিত সম্পদেরযোগান ................................
অনুমোদিত স্কীমের তালিকা, প্রস্তাবিত বাজেট, অর্থের উৎস এবং বাস্তবায়নের সময়     ................................

পঞ্চম অধ্যায় ঃ উপসংহার

পরিশিষ্ট ঃ
১)    পরিশিষ্ট-১ঃ ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের বাজেট
২)    পরিশিষ্ট-২ঃ ইউনিয়ন পরিষদের কার্যবলী (স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ অনুসারে)
৩)    পরিশিষ্ট-৩ঃ ইউনিয়ন পরিষদ আদর্শ কর তপশিল ২০১৩
৪)    পরিশিষ্ট-৪ঃ ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন বিধিমালা ২০১৩
৫)    পরিশিষ্ট-৫ঃ ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট প্রণয়ন বিষয়ে বিধি-বিধান সমূহ
৬)    পরিশিষ্ট-৬ঃ ইউনিয়ন পরিষদের পরিকল্পনা কমিটি এবং সকল স্থায়ী কমিটি
৭)    পরিশিষ্ট-৭ঃ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব ও সদস্যবৃন্দের ছবিসহ তালিকা

পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদ
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ।


    
পঞ্চ বার্ষিক বাজেট ও পরিকল্পনা প্রণয়ণের প্রেক্ষাপট ঃ বর্তমান সময়ে কার্যকরি উন্নয়ন পরিকল্পনা বলতে জন-অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনাকে বুঝায়। বাংলাদেশের অতীত অভিজ্ঞতায় বলা যায়, স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা নেই বললেই চলে। পরিকল্পনা হলো বর্তমান ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক কর্মকা-ের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি। পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান বিষয়বস্তুগুলোর একটি হচ্ছে সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং অপরটি জনগণের মালিকানা সৃষ্টি। সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এমন এক প্রবৃদ্ধিজনিত প্রক্রিয়ার জন্ম দেয় যা নিজ থেকেই বাড়তি সম্পদ সৃষ্টিতে সক্ষম হয়। আধুনিক যুগে অর্থনৈতিক নীতি বিশেষত উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন করা রাষ্ট্রীয় কর্মকা-ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে।

খাতভিত্তিক পরিকল্পনার লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্য রেখে সংশ্লিষ্ট সকল উন্নয়ন খাতকে গুরুত্ব দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। স্থানীয় পর্যায়ে সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে এলাকার খাতভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, চাহিদা নিরূপণ ও সমস্যা সমাধানের নিমিত্তে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এরূপ প্রেক্ষিতে পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় উন্নয়নের লক্ষ্যে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং এ পরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জনের জন্য এবং বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। উল্লেখ্য যে, ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯ এর ৪৭ ধারার (ঘ) উপধারায় পরিষদ উহার এখতিয়ারভূক্ত যে কোন বিষয়ে উহার তহবিলের সাথে সঙ্গতি অনুযায়ী পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন মেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করার বিধান উল্লেখ রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ বিশেষভাবে বিবেচনায় এনে স্থানীয় জনগণের চাহিদার প্রতি দৃষ্টি রেখে ইউনিয়ন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়।
                
পঞ্চ বার্ষিক বাজেট ও পরিকল্পনা প্রণয়ন প্রক্রিয়া ও কৌশল ঃ পরিকল্পনা প্রণয়ন প্রক্রিয়া ও কৌশল
পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদের পঞ্চবার্ষিক (২০১৭-২০২১) পরিকল্পনা প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় কতকগুলো ধাপ অনুসরণ করা হয়েছে। যার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো একটি ইউনিয়ন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বই প্রণয়ন করতে সক্ষম হয়েছে।
১ম ধাপঃ ইউপি’র সভার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ইউপির সকল সদস্য, সচিব, দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা, অভিজ্ঞ নাগরিক, স্থায়ী কমিটির সদস্য, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে উদ্ভুদ্ধকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীগণ ইউনিয়নের রূপকল্প তৈরি করে অতঃপর এই রূপকল্প রূপায়নে সকলের অংশগ্রহণে তথ্য সংগ্রহ এবং ডাটাবেজ তৈরি করা হয় ;
২য় ধাপঃ ওয়ার্ড সভায় সংগৃহিত তথ্য যাচাই, চ্যালেঞ্জ চিহ্নিতকরন ও বিশ্লেষণ করে চাহিদা নিরূপন ও অগ্রাধিকার নির্ণয় করা হয় ;
৩য় ধাপঃ নির্ণিত অগ্রাধিকার স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করে সুপারিশ তৈরি করা হয় ;
৪র্থ ধাপঃ  সরকারি বিভিন্ন বিভাগ, এনজিও, কমিউনিটি  ভিত্তিক সংগঠন ও স্থায়ী কমিটি সদস্যদের যৌথ সভায় পর্যালোচনার মাধ্যমে সম্পদের উৎস ও অর্থপ্রবাহ পর্যালোচনা এবং নির্ণীত অগ্রাধিকার  বিশ্লেষণ করে খসড়া পরিকল্পনা ও  বাজেটের  রূপরেখা তৈরি হয় ;
৫ম ধাপঃ  খসড়া পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়ন করা হয়;
৬ষ্ঠ ধাপঃ  খসড়া পরিকল্পনা ওয়ার্ড সভায় উপস্থাপন করে জনগণের মতামত গ্রহন করা হয় ;
৭ম ধাপ: ইউনিয়ন পরিষদের সভায় খসড়া পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়;
৮ম ধাপ : চুড়ান্ত পরিকল্পনা বই আকারে  প্রকাশ করা হয়;
                                                                   

 

১. এক নজরে পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদ পরিচিতি

 

 

 

 

 

 


ক) ইউনিয়ন  সীমানা    ঃ পূর্বে পূর্বপাগলা ইউপি, পশ্চিমে জয়কলস ইউপি, উত্তরে দেখার হাওর,            এবং দক্ষিণে পূর্ব বীরগাঁও ইউপি।
খ) আয়তন        ঃ ১৬.১৪বর্গ কিলোমিটার।

গ) ভূমি        ঃ আবাদী জমি-৯৮৮একর,    অনাবাদি জমি-৩৬০একর,    খাস জমি-১৭৮একর
                এক ফসলী জমি-         দুই ফসলী জমি-
ঘ) জলাশয়        ঃ হাওর-০২টি,            বিল-০৪টি,             নদী-০১টি
                      পুকুর-৩৫টি,            ডোবা-৫০টি,            নালা-০৫টি
                  

ঙ) জনসংখ্যা        ঃ মোট-২০,৫৩৪জন,         পুরুষ-১০,২৬৪জন,          মহিলা-১০,২৭০জন
চ) ভোটার সংখ্যা    ঃ ১২,৭৪৪জন,        পুরুষ-৬,২৩১জন,        মহিলা-৬,৫১৩জন।


টেবিল-১: ওয়ার্ড ভিত্তিক জনসংখ্যা ও ভোটার সংখ্যা ঃ
ওয়ার্ড নং    গ্রামের নাম    জনসংখ্যা    ভোটার সংখ্যা    ধর্মীয় অবস্থান
        পুরুষ    মহিলা    মোট    পুরুষ    মহিলা    মোট    ইসলাম    সনাতন    আদিবাসী
০১    ইনাতনগর,চন্দ্রপুর,নবীনগর    ১১৭৫    ১১৪৫    ২৩২০    ৬৫৪    ৬৯০    ১৩৪৪    ২,২৭০    ৫০    -
০২    চন্দপুর,রায়পুর    ১৩০০    ১৪০০    ২৭০০    ৫৩২    ৭৫০    ১২৮২    ২,৬৮০    ২০    -
০৩    ইসলামপুর,কাদিপুর,পাগলাবাজার    ১১৮১    ১১৮৩    ২৩৬৪    ৮৫৫    ৭৬৯    ১৬২৪    ২,০০০    ৩৬৪    -
০৪    কান্দিগাঁও,শত্রুমর্দন    ১২৬৩    ১২৬৭    ২৫৩০    ৭৭৮    ৭৮৯    ১৫৬৭    ২,৫৩০    ০০    -
০৫    শত্রুমর্দন    ১২৭৫    ১২৪৫    ২৫২০    ৬৯৫    ৬৮০    ১৩৭৫    ২,০১০    ৫১০    -
০৬    শত্রুমর্দন    ১১০০    ১০৮০    ২১৮০    ৯১৫    ৭৬৭    ১৬৮২    ১,৮৮০    ৩০০    -
০৭    ব্রাহ্মণগাঁও    ৯৪০    ৯৩০    ১৮৭০    ৪৪৫    ৬৪৩    ১০৮৮    ১,২২০    ৬৫০    -
০৮    ব্রাহ্মণগাঁও    ৮৯০    ৯১০    ১৮০০    ৬৭৯    ৭৮১    ১৪৬০    ১,৩০০    ৫০০    -
০৯    ব্রাহ্মণগাঁও,হোসেনপুর,নিধনপুর    ১১৪০    ১১১০    ২২৫০    ৬৭৮    ৬৪৪    ১৩২২    ১,৯০০    ৩৫০    -
সবমোট        ১০২৬৪    ১০২৭০    ২০৫৩৪    ৬,২৩১    ৬,৫১৩    ১২,৭৪৪    ১৭,৭৯০
২,৭৪৪    -


টেবিল-২: ওয়ার্ড ভিত্তিক খানার সংখ্যা ঃ
ওয়ার্ড নম্বর    খানার সংখ্যা (বিস্তারিত)
    ধনী    মধ্যবিত্ত    দরিদ্র    হত দরিদ্র    মোট
০১    ১৫    ৮৫    ১৫০    ১০২    ৩৫২
০২    ৫০    ৭৫    ১১০    ৯২    ৩২৭
০৩    ২৫    ৫০    ১৬৩    ২১৫    ৪৫৩
০৪    ৩৮    ১৭০    ১৭৫    ৮২    ৪৬৬
০৫    ২৫    ৮০    ১৯৫    ১৩৭    ৪৩৭
০৬    ১৫    ১১২    ১২০    ১১৪    ৩৬১
০৭    ২০    ৫০    ১১০    ১০৪    ২৮৪
০৮    ৫০    ৭০    ৭৮    ৭৮    ২৭৬
০৯    ১৫    ৮৫    ১৩৭    ১১৬    ৩৫৩
সর্ব মোট    ২৫৩    ৭৭৭    ১২৩৮    ১০৪০
৩,৩০৯


নোট ঃ  জনসংখ্যার অবস্থার বিশ্লেষন ঃ
হত-দরিদ্র্য ঃ সারা বছরে ৬ মাসের মধ্যে ০৩ বেলা খেতে পায়, সঞ্চয় ২,০০০/-(দুই হাজার) টাকার উর্দ্ধে নয় (প্রত্যাহিক উপকরন মুল্য), আয় বৃদ্ধিমুলক কর্মকান্ডে ব্যবহৃত উপকরনের মুল্য ৫,০০০/-(পাঁচ হাজার) টাকার বেশী নয়, অন্যের জমিতে বসবাস করে, কাজের জন্য অন্যত্র যেতে হয় বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ছিন্নমুল ইত্যাদি।
দরিদ্র্য ঃ  বছরে ০৬-১০মাস ০৩ বেলা খেতে পায়, সঞ্চয় ২,০০০/-(দুইহাজার) থেকে ১৫০০০/-(পনের হাজার) টাকার উর্দ্ধে নয় (প্রত্যাহিক উপকরন মুল্য), আয় বৃদ্ধিমুলক কর্মকান্ডে ব্যবহৃত উপকরনের মুল্য ৫০০০/-(পাঁচ হাজার) থেকে ২০০০০/- (বিশ হাজার) এর বেশী নয়, কাজের জন্য অন্যত্র যেতে হয় ইত্যাদি।
মধ্যবিত্ত ঃ বছরে ১২ মাসই ০৩ বেলা খেতে পায়, সঞ্চয় ৫০হাজার টাকার উর্দ্ধে নয়, আয় বৃদ্ধিমুলক কর্মকান্ডে ব্যবহৃত উপকরনের মুল্য ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকার বেশী নয়, নিজের জমিতে বসবাস করে, নির্দিষ্ট আয়ের উৎস আছে, সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন ও মতামত প্রদান করেন ইত্যাদি।
ধনী ঃ সম্পদশালী, সমাজে নেতৃত্ব দেয়, সমাজের সকল স্তরে অভিগম্যতা আছে ইত্যাদি।


টেবিল-৩: পেশার ভিত্তিতে  জনমিতিক তথ্য  ছক-
ওয়ার্ড    
পেশা ভিত্তিক জনসংখ্যার বর্তমান অবস্থান(নারী  ও পুরুষ)    মন্তব্য
    পেশাজীবি    বেকার    এলাকার বাইরে থাকে    
    কৃষক    মৎস্যজীবী    ব্য্বসায়ী    চাকুরীজীবি    কুটিরশিল্পী    মোট    অশিক্ষিত বেকার    শিক্ষিত বেকার    প্রবাসী    চাকুরী সূত্রে    শিক্ষা লাভের উদ্যেশ্যে    শ্রমিক হিসেবে    গৃহকর্মী হিসেবে    
০১    ১১৬    ২১০    ১০    ১৫    ০১    ৩৫২    ১০০    ৩০    ৪০    ২০    ১০    ১৫    ০৫    
০২    ৬২    ১৭৫    ৫৫    ২৫    ১০    ৩২৭    ১২৫    ৪৫    ১১০    ৪২    ৩৫    ৮০    ১৫    
০৩    ১৭৮    ২০৫    ৪৫    ২০    ০৫    ৪৫৩    ১৫০    ৫৫    ২৮    ৪৫    ১৫    ৫৯    ১৭    
০৪    ৩০৭    ০৫    ১০০    ৫০    ০৩    ৪৬৫    ২৩০    ৭০    ১০০    ৪০    ৩০    ৮৫    ৩০    
০৫    ২০২    ০৫    ৯০    ৬৫    ৭৫    ৪৩৭    ১৫০    ৭৫    ৩৫    ৩৫    ৪০    ৬০    ৩৫    
০৬    ২৮১    ১৫    ৩০    ৩৫    ০    ৩৬১    ১১০    ৬০    ৪০    ৩০    ২৫    ৩০    ১২    
০৭    ১৯৪    ১০    ৩০    ৪৫    ০৫    ২৮৪    ৯৮    ৫০    ২৩    ২৫    ১৮    ৪০    ১০    
০৮    ১৯৬    ৩০    ২৫    ২০    ০৫    ২৭৬    ১০০    ৩৫    ২৫    ১৫    ১০    ৫০    ১৫    
০৯    ১৮৩    ৭০    ৪০    ৫০    ১০    ৩৫৩    ১২০    ৫৫    ৩৫    ৫০    ১৫    ৭০    ২০    
মোট    ১৭১৯
৭২৫
৪২৫
৩২৫
১১৪
৩৩০৮
১১৮৩
৪৭৫
৪৩৬
৩০২
১৯৮
৪৮৯
১৫৯

 


টেবিল-৪ : সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বিভিন্ন ভাতাভোগী/উপকারভোগীর তথ্য ছক ঃ-

 

ওয়ার্ড    ভাতাভোগীদের সংখ্যা
    বয়স্কভাতা    বিধবা
ভাতা    প্রতিবন্ধীভাতা    মুক্তিযোদ্ধা ভাতা    মাতত্ব ভাতা    ভিজিডি    ১০ টাকা কেজি চাউল    ভিজিএফ    ৪০
দিন কর্মসূচী    আরইআরএমপি-র রাস্তা সংস্কারে ভাতাভোগী
০১    ৫১    ২১    ৯    -    ১১    ১৪    ৭৫    ১০২    -    -
০২    ৫৪    ২৩    ১৫    -    ১১    ১৯    ৭৫    ৭২    ২৫    ১
০৩    ৪৭    ২২    ১০    -    ১২    ১৫    ৭৬    ১০২    -    ১
০৪    ৬২    ২৩    ১১    ২    ১৪    ১৬    ৭৯    ১৪০    -    ২
০৫    ৫৭    ১৭    ৯    ১    ১৩    ১৬    ৭৫    ৯২    ৫২    ১
০৬    ৪৩    ২১    ৬    ২    ১০    ১৫    ৭৫    ৯৩    ২৫    ২
০৭    ৪৪    ২২    ৭    ২    ১০    ১২    ৫০    ৮০    -    ১
০৮    ৪৫    ২০    ৯    ১    ১৩    ১২    ৫০    ৬৯    -    ১
০৯    ৪৮    ২৩    ১১    -    ১৩    ১৬    ৬৮    ১০১    -    ১
মোটঃ    ৪৫১    ১৯২    ৮৭    ৮    ১০৭    ১৩৫    ৬২৩    ৮৫১    ১০২    ১০

ছ) ভৌত অবকাঠামো ঃ কাঁচা বাড়ি-২,২২৪টি,    আধাপাকা বাড়ি-৭৭৮টি,    পাকাবাড়ি-২৫৩টি,
  কাঁচা রাস্তা-১০কিঃ মিঃ,    পাকারাস্তা-৯কিঃ মিঃ,        ইট সলিং-২কিঃ মিঃ,
  মসজিদ-১৯টি,        মন্দির-৫টি,             কবরস্থান-১২টি,
  হাটবাজার-৪টি,         খেয়াঘাট-১টি,            ব্যাংক-৪টি,
  ইউনিয়ন ভূমি অফিস-০১টি,     ব্রীজ-১০টি,            কালভার্ট-২০টি,
  ডাকবাংলো-১টি।
জ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান    ঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়-০৯টি,    সরকারী-০৫টি,        বেসরকারী-৪টি,
               মধ্যমিক বিদ্যালয়-১টি,    কলেজ-১টি,            মাদ্রাসা-২টি,                                                                   
                           কিন্ডার গার্টেন-২টি।

টেবিল-৫ : ওয়ার্ড ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের সংখ্যা ঃ


ওয়ার্ড    শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের সংখ্যা
    প্রাথমিক বিদ্যালয়    মধ্যমিক বিদ্যালয়    কলেজ    মাদ্রাসা    অন্যান্য
    সরকারী    বেসরকারী    মোট     সরকারী    বেসরকারী    মোট     সরকারী    বেসরকারী    মোট     দাখিল    এবতাদিয়া    মোট     -
০১    -    ০১    ০১    -    -    -    -    -        -    ০১    ০১    -
০২    -    ০১    ০১    -    -    -    -    -    -    -    ০১    ০১    -
০৩    -    ০১    ০১    -    -    -    -    -    -    -    ০১    ০১    -
০৪    ০১    -    ০১    ০১    -    ০১    ০১    -    ০১    ০১    -    ০১    -
০৫    -    ০১    ০১    -    -    -    -    -    -    -    -    -    -
০৬    ০১    -    ০১    -    -    -    -    -    -    -    -    -    -
০৭    -    ০১    ০১    -    -    -    -    -    -    -    -    -    -
০৮    ০১    -    ০১    -    -    -    -    -    -    -    -    -    -
০৯    ০১    -    ০১    -    -    -    -    -    -    -    -    -    -
মোটঃ    ০৪    ০৫    ০৯    ০১    -    ০১    ০১    -    ০১    ০১    ০৩    ০৪    -

 

 

টেবিল-৬ : শিক্ষার সার্বিক তথ্যঃ-
ওয়ার্ড    সাক্ষরতার হার%    প্রাথমিক বিদ্যালয়    মাধ্যমিক বিদ্যালয়
    পুরুষ    নারী    মোট    বিদ্যালয়ে ভর্তির হার %    ঝরে পরার
হার    ঝরে পড়ার কারণ    বিদ্যালয়ে ভর্তির হার %    ঝরে পরার হার    ঝরে পড়ার কারন
০১    ৭৩%    ৬৩%    ৭৮%    বিদ্যালয়ে ভর্তির হার %    ঝরে পরার
হার    ঝরে পড়ার কারণ    বিদ্যালয়ে ভর্তির হার %    ঝরে পরার হার    শিশুবিবাহ,দারিদ্রতা,অসচেতনতা
০২    ৬৭%    ৫৮%    ৭০%    ১০০%    ১১%    দারিদ্রতা,অসচেতনতা,ধর্মীয় গোড়ামী    ৬৭%    ১৩%    শিশুবিবাহ,দারিদ্রতা,অসচেতনতা
০৩    ৬৯%    ৬৩%    ৭৮%    ৯৫%    ১৩%    দারিদ্রতা,অসচেতনতা,ধর্মীয় গোড়ামী    ৬৯%    ১৫%    শিশুবিবাহ,দারিদ্রতা,অসচেতনতা
০৪    ৭২%    ৫৯%    ৭৬%    ১০০%    ১৩%    দারিদ্রতা,অসচেতনতা,ধর্মীয় গোড়ামী    ৬৬%    ২৩%    শিশুবিবাহ,দারিদ্রতা,অসচেতনতা
০৫    ৭৬%    ৬৮%    ৮৮%    ৯৬%    ১৬%    দারিদ্রতা,অসচেতনতা,ধর্মীয় গোড়ামী    ৬৩%    ২২%    শিশুবিবাহ,দারিদ্রতা,অসচেতনতা
০৬    ৭৮%    ৭৪%    ৭৬%    ৯০%    ১১%    দারিদ্রতা,অসচেতনতা,ধর্মীয় গোড়ামী    ৫৮%    ১৯%    শিশুবিবাহ,দারিদ্রতা,অসচেতনতা
০৭    ৭৭%    ৭১%    ৭৪%    ১০০%    ১২%    দারিদ্রতা,অসচেতনতা,ধর্মীয় গোড়ামী    ৭০%    ২৪%    শিশুবিবাহ,দারিদ্রতা,অসচেতনতা
০৮    ৫৯%    ৫৩%    ৭৯%    ৯০%    ৮%    দারিদ্রতা,অসচেতনতা,ধর্মীয় গোড়ামী    ৫৯%    ২৩%    শিশুবিবাহ,দারিদ্রতা,অসচেতনতা
০৯    ৭৬%    ৬৮%    ৭৮%    ৯৫%    ৭%    দারিদ্রতা,অসচেতনতা,ধর্মীয় গোড়ামী    ৬০%    ২২%    শিশুবিবাহ,দারিদ্রতা,অসচেতনতা
মোট=    ৭২%    ৬৪%    ৭৭%    ১০০%    ৮%    দারিদ্রতা,অসচেতনতা,ধর্মীয় গোড়ামী    ৮৭%    ১৮%    শিশুবিবাহ,দারিদ্রতা,অসচেতনতা


ঝ) স্বাস্থ্যকেন্দ্র ঃ- ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র-১টি,    কমিউনিটি ক্লিনিক-১টি,    
           বেসরকারী হাসপাতাল-১টি।

টেবিল-৭: ইউপি’র পানি সরবরাহ ও পয়ঃ নিস্কাশন ব্যবস্থার তথ্য ঃ-
ওয়ার্ড    স্বাস্থ্য-সম্মত পায়খানা ব্যবহার কারীর সংখ্যা (খানা)     পানির উৎসের সংখ্যা    কসাই খানা    ডাস্টবিন    ড্রেন
    ল্যাট্রিন স্বাস্থ্য-সম্মত    অস্বাস্থ্যকর    ঝুলন্ত    খোলা জায়গায়
মলত্যাগ করে    মোট    গভীর নলকূপ    অগভীর নলকূপ    তারা পাম্প    মোট            
০১    ৫৭    ১০২    ১০০    ২৫১    ৫১০    ০৪    ১২    ০৫    ২১    ০০    ০০    ০০
০২    ৪৩    ৭৯    ১১৯    ১৬০    ৪০১    ০২    ০৪    ০৩    ০৯    ০০    ০০    ০০
০৩    ৫৩    ৩৩    ১৪৫    ৪২২    ৬৫৩    ০৬    ০৮    ০২    ১৬    ০০    ০০    ০০
০৪    ৫৯    ৭৩    ১২৫    ২০২    ৪৫৯    ০৩    ৭    ০৫    ১৫    ০০    ০০    ০০
০৫    ৪৯    ৬৭    ১১০    ৩১৫    ৫৪১    ০৬    ০৯    ০৩    ১৮    ০০    ০০    ০০
০৬    ৬৩    ৯৭    ২১৫    ৩০৩    ৬৭৮    ০৫    ০৬    ০০    ১১    ০০    ০০    ০০
০৭    ২৭    ৮০    ১০৩    ১০৭    ৩১৭    ০৩    ০৫    ০২    ১০    ০০    ০০    ০০
০৮    ৫৭    ১৪৭    ১২১    ২৭৯    ৬০৪    ০২    ০৭    ০২    ১১    ০০    ০০    ০০
০৯    ৪১    ২৩    ১৮৩    ২০০    ৪৪৭    ০৩    ০৪    ০৩    ১০    ০০    ০০    ০০
মোট    ৪৪৯    ৭০১    ১২২১    ২২৩৯    ৪৬১০    ৩৪    ৬২    ২৫    ১২১    ০০    ০০    ০০


ঞ) ঐতিহাসিক স্থাপনা ঃ রায়পুর বড় জামে মসজিদ।
ট) নলকূপ ব্যবহার করে সুপেয় পানি পানকারী পরিবারের সংখ্যা    ঃ ৩৯৫টি (---%)
ঠ) স্যানিটেশনের হার    ঃ ৭৭%
ড) ব্যবসা প্রতিষ্টান    ঃ ২৭৫টি

টেবিল-৮: ইউপি’র নিজস্ব আয়ের উৎস ও সম্পদ  বিষয়ক তথ্য ঃ-
ওয়ার্ড     মোট বাজার    ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা    ইউপি কর প্রদানকারী সংখ্যা    মহিলা মালিকাধীন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা    হাট বাজারের  নাম
        মুদি দোকান    টি স্টল    মাছের আড়ৎ    চাতাল    ব্যাবসায়ী সংখ্যা    খানার সংখ্যা    মুদি    টি স্টল    অন্যান্য    
০১    ০    ৮    ০    ০    ০    ৮    ৩৫২    ৪    ০    ০    
০২    ০    ৫    ০    ০    ০    ৫    ৩২৭    ১    ০    ০    
০৩    ১    ১১০    ৩০    ২    ০    ১৪৩    ৪৫৩    ০    ০    ০    পাগলা বাজার
০৪    ০    ৫০    ১০    ০    ০    ৬০    ৪৬৫    ০    ০    ০    
০৫    ০    ৮    ২    ০    ০    ১০    ৪৩৭    ০    ০    ০    
০৬    ০    ১    ০    ০    ০    ১    ৩৬১    ০    ০    ০    
০৭    ০    ৪    ৩    ০    ০    ৭    ২৮৪    ০    ০    ০    
০৮    ০    ১০    ০    ০    ০    ১০    ২৭৬    ০    ০    ০    
০৯    ০    ১০    ৩    ০    ০    ১৩    ৩৫৩    ৩    ১    ০    
মোট    ১    ২০৬
৪৮

০    ২৫৭
৩৩০৮

১    ০    

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার খতি ভিত্তিক  ইস্যু /বিষয় সমুহ ঃ- পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদ তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করার জন্য  পাঁচ বছর মেয়াদী কয়েকটি সমস্যা চিহ্নিত করেছে। এই ইস্যু বা সমস্যাগুলো স্বল্প সময়ে সমাধান করা সম্ভব নয়, তাই এই ইস্যু সমাধানের জন্য প্রয়োজন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা।  পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের প্রধান ইস্যু/বিষয়সমুহ ও ইস্যু/বিষয়  চিহ্নিতকরণ নি¤œরুপঃ-

১. ২০২১ সালের মধ্যে ইউনিয়নের ১০০% যোগাযোগ ও অবকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে আন্তঃ যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।
২. ২০২১ সালের মধ্যে ইউনিয়নের ১০০% শিশুর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গমনের মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়ন হবে।
৩. ২০২১ সালের মধ্যে ১০০% মানুষ নিরাপদ পানি পান করবে ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরনের মাধ্যমে মানুষের স্বাস্থ্যের উন্নয়ন হবে।
৪. ২০২১ সালের মধ্যে ১০০% কৃষক উন্নত কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিতকরনের মাধ্যমে কৃষি, সেচ ব্যবস্থার এবং অন্যান্য               অর্থনৈতিক উন্নয়ন মূলক কাজে সম্মৃদ্ধি আসবে।
৫. ২০২১ সালের মধ্যে ১০০% মৎস্য, পশু সম্পদ ও অন্যান্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন মূলক কাজে সম্মৃদ্ধি আসবে।
৬. ২০২১ সালের মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে শিক্ষিত ও অশিক্ষিত বেকার পুরুষ এবং ৮০ভাগ দরিদ্র মহিলাদের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধি পাবে ও কাজের সুযোগ পাবে। ২০২১ সালের মধ্যে পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের জনগন দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম হবে।

কমউিনটিতিে বদ্যিমান সমস্যা / ইস্যু চিহ্নিতকরনের কারণঃ-
০১)    অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ঃ- পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নটি হাওর বেষ্টিত। যোগাযোগ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন ইউনিয়নের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ খাত। অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য খুবই প্রয়োজন একটি উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা।  বর্তমানে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ছাড়া জনগণের জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তন কল্পনাও করা যায় না। অবকাঠামোগত উন্ন্য়ন অর্থনৈতিক সুবিধা এবং প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করে, ব্যয় হ্রাস করে, রপ্তানি বৃদ্ধি করে।  সে কারণে পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য আন্ত:ওয়ার্ড ও উপজেলার সাথে ইউনিয়ন পরিষদসমূহের কার্যকরি যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য রাস্তা, কালভার্ট, পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণের প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রতিও দৃষ্টি দেয়া হয়েছে এই পরিকল্পনায়। পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত খাতে স্থায়িত্বশীলতার প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেয়া সহ বর্তমান অবকাঠামো সমূহ ব্যবহার উপযোগি রাখার জন্য প্রয়োজনীয় মেরামত ও সংস্কার এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য নতুন অবকাঠামো তৈরির পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

 


০২)    শিক্ষার হার কম ঃ:- পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের জনগন বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা উপেক্ষা করে বসবাস করছে। এর মধ্যে একটি প্রধান সমস্যা স্বল্প শিক্ষার হার। সামাজিক অসচেতনতা, দারিদ্রতা, শিশু শ্রম ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত অনুউন্নয়নের ফলে শিক্ষা ব্যবস্থার অবস্থা খুব নাজুক পর্যায়ে আছে। শিক্ষা ব্যাবস্থার বাস্তব চিত্ত কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহনের জন্য অবস্থা বিশ্লেষন জরিপ থেকেও ইউপি বুঝতে পারে। শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড অথচ ইউনিয়নে শত চেষ্টা করেও শিক্ষার উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে না। উপযুক্ত শিক্ষার মান বৃদ্ধি না পাওয়ায় অপসংস্কৃতি, নারী নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, সামাজিক হানাহানী, স্বাস্থ্য ও পুষ্টিহীনতা, শিশুশ্রম ইত্যাদি সামাজিক সমস্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপরোক্ত বিষয় চিন্তা করে পঞ্চবার্ষিকী  পরিকল্পনা গ্রহনের জন্য ৫দিনের কর্মশালায় শিক্ষাকে দ্বিতীয় ইস্যু হিসাবে ইউনিয়ন চিহ্নিত করে।

০৩)     পানি সরবরাহ, পয়ঃ নিস্কাশন ও বর্জ্য-ব্যবস্থাপনা ঃ- হাওর ও নদী বেষ্টীত পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নবাসীর অগ্রযাত্রায় আরেকটি বড় সমস্যা স্যানিটেশন। ইউনিয়নের সার্বিক জরিপে দেখা যায় ৭৭% জনগন স্যানিটেশন ব্যবহার করে। খোলা জায়গায় পায়খানা করার ফলে মানুষজন ডায়রিয়া, আমাশয়, কলেরা সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য জটিলতায় ভুগছে। প্রতি বছর কিছু শিশু ডায়রিয়া, আমাশয়, কলেরায় ভুগে মৃত্যুবরন করছে। সচেতনতা ও দারিদ্রতার কারনে সৃষ্ট সমস্যাটা ইউনিয়ন পরিষদ মনে করে যে খুব সহজে দুর করা সম্ভব না যার জন্য দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহন করা প্রয়োজন। পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের একটি বড় সমস্যা নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি হীনতা। পুষ্টিহীনতার কারনে ইউনিয়নের জনগন দিন দিন কর্ম অক্ষম হয়ে পড়ছে ও শিশু মৃত্যু, নারী মৃত্যু বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপযুক্ত স্বাস্থ্য ও পুষ্টি পরামর্শ এবং সরকারী বেসরকারী সেবা প্রাপ্তি ও ইউপির এই বিষয়ে সঠিক পরিকল্পনা না থাকার কারনে জনগন র্দীঘ দিন যাবৎ এই সমস্যা লালন করছে। স্বাস্থ্য ও পুষ্টিহীনতার কারনে অনেক শিশু পঙ্গুত্ব, অন্ধত্ব, শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে বেড়ে উঠছে। তাছাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সংখ্যা অপ্রতুল থাকায় স্বাস্থ্যসেবা হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

০৪)     অনুন্নত  কৃষি ও সেচ ব্যবস্থাপনা ঃ- যুগ যুগ ধরে ইউনিয়নবাসী কৃষি কাজের উপর নির্ভরশীল হলে ও কৃষি উৎপাদন ও আধুনিকায়নে সফল হতে পারেনি। উন্নত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও প্রশিক্ষিত কৃষক না হওয়ার কারনে কৃষি কাজে জনগন অনেক পিছিয়ে আছে। ইউনিয়নের মোট জনসংখার শতকরা ৮০% জনগন কৃষির উপর নির্ভরশীল। কৃষির উন্নয়ন ছাড়া ইউনিয়নের উন্নয়ন সম্ভব না তাই ইউনিয়ন পরিষদ মনে করে যে কৃষিকাজে জনগনদেরকে সমৃদ্ধি আনার জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহন করা প্রয়োজন। পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের একটি বড় সমস্যা দুর্যোগ। ইউনিয়নে আগাম বন্যায় ফসল ভাসিয়ে নিয়ে যায়। মাঝে মাঝে বসতবাড়ী তলিয়ে যায়। এছাড়া খরা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টির কারনে ইউনিয়নের জনগনকে দুর্ভোগে পড়তে হয়। ফলে কৃষকেরা ফসল ফলাতে পারে না। তারা আগাম বন্যার বিষয়ে অসচেতন। সে কারণে ইউনিয়নের মানুষেরা আয় হতে বঞ্চিত। তাই দুর্যোগ প্রবণতা হ্রাস বিষয়ক প্রশিক্ষন ও সচেতনতা মুলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দুর্যোগ হতে রক্ষা পাওয়ার বিষয়টি অতি গুরুত্বপুর্ণ । তাই ইউনিয়ন পরিষদ মনে করে যে দুর্যোগ মোকাবেলার মাধ্যমে ইউনিয়নের সমৃদ্ধি আনার জন্য পঞ্চবার্ষিকী  পরিকল্পনা গ্রহন করা প্রয়োজন।

০৫)    অনুন্নত  মৎস্য, পশু সম্পদ ও অন্যান্য অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক কাজ এর ব্যবস্থাপনা ঃ- দীর্ঘ বছরের পর বছর পাড়ী দেওয়া সময়ের দিকে অবলোকন করলে আমরা দেখতে পাই যে,  ইউনিয়নবাসী কৃষি কাজের সাথে সাথে মৎস্য পেশার   উপর নির্ভরশীল হলেও এখানকার হাওড় ও নদীগুলো যদিও একসময় প্রচুর মাছের উৎপাদন ক্ষেত্র ছিল প্রাকৃতিকভাবে, কিন্তু বর্তমানে অবিচারে ও পোনা মাছ চাষ না করে মাছ ধরার ফলে  উৎপাদন ও আধুনিকায়নে সফল হতে পারেনি। উন্নত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও প্রশিক্ষিত মৎস্যজীবি না হওয়ার কারনে মৎস্য উৎপাদনের কাজে জনগন অনেক পিছিয়ে আছে। ইউনিয়নের মোট জনসংখার শতকরা ৮০% জনগন কৃষির উপর নির্ভরশীল। কৃষির উন্নয়ন ছাড়া ইউনিয়নের উন্নয়ন সম্ভব না তাই ইউনিয়ন পরিষদ মনে করে যে কৃষিকাজে জনগনদেরকে সমৃদ্ধি আনার জন্য পঞ্চবার্ষিকী  পরিকল্পনা গ্রহন করা প্রয়োজন।

০৬)    অদক্ষ মানবসম্পদ ঃ- ইউনিয়ন পরিষদ মনে করে যে, ইউনিয়নের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে দক্ষ জনশক্তি প্রয়োজন,  দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত কারিগরী প্রশিক্ষণ, পুরুষের পাশাপাশি নারীদের জন্যও কারিগরী শিক্ষার প্রয়োজন। এর ফলে দারিদ্রতা হ্রাস পাবে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হবে। নারী অধিকার ও নারী জাগরণ দরকার। নারীরা যখন পুরুষদের পাশাপাশি উন্নয়ন কাজে অংশীদার হবে তখনই দারিদ্র বিমোচন সম্ভব। পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের প্রেক্ষাপটে দেখা যায় সমাজে ও পরিবারে নারীরা প্রতিষ্ঠিত না বিভিন্নভাবে তারা সমাজে ও পরিবারে নির্যাতিত হচ্ছে। নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ কম থাকায় তারা আর্থিক দিক থেকে স্বাবলম্বী হতে পারছে না। তাই ইউনিয়ন পরিষদ মনে করে যে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, নারী ও শিশু কল্যাণের জন্য  পঞ্চবার্ষিকী  পরিকল্পনা গ্রহন করা প্রয়োজন। সর্বোপরি পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদের জনগন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি,      জনসচেতনতা, নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগের অভাবে এখানকার জনগন যুগোপযোগী ও টেকসই উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে এখনও অনেকটা পিছিয়ে। বিগত কয়েক বছরে ইউনিয়নে বিশুদ্ধ পানি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার কিছুটা উন্নয়ন হলেও আর কিছু মৌলিক চাহিদা পুরনের জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা বা দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা। তারই ধারাবাহিকতায় পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদ ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহন করে।


গুরুত্বপূর্ণ স্থায়ী কমিটির সুপারিশমালাঃ-
০১। শিক্ষা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সুপারিশমালা নি¤œরূপ ঃ- যেহেতু অত্র ইউপি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রণয়ন করছে। তাই পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাতে শিক্ষার গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ অত্র ইউপি’র  বর্তমান শিক্ষার হার ৪৬%, তা থেকে উন্নতি করে আগামী পাঁচ বছরে ইউপি’র শিক্ষার হার ১০০% ভাগে উন্নীত করতে হবে। সেজন্য বিভিন্ন শিক্ষার উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে, অভিভাবকদের সচেতন করতে হবে, স্কুলের শিক্ষকদের নিয়ে ছয় মাস অন্তর অন্তর সভা করতে হবে, শিশুদের মধ্যে ইউপি’র পক্ষ হতে শিক্ষা সহায়ক ও উৎসাহ প্রদানমূলক প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। বিদ্যালয়ে আসবাবপত্র সরবরাহ, বিদ্যালয়ের চালা বা বেড়া (যদি পাকা ঘর না হয়) মেরামত করা, বিদ্যালয়ের বোর্ড, কলম, ডাস্টার ইত্যাদি সরবরাহ, বিদ্যালয়ে যাওয়ার রাস্তা/কালভার্ট মেরামত, বিদ্যালয় গমনোপযোগী শিশুরা যদি শিশু শ্রমে নিয়োজিত থাকে তাদের পরিবারকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাবিখা, কাবিটা, টিআর ইত্যাদি কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা স্কুলের শিশুদের নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য নলকূপ স্থাপন, মেয়ে শিশুদেরকে বিদ্যালয়ে পাঠানোর বিষয়ে অভিভাবকদেরকে উদ্ভোদ্ধকরণ যা ওয়ার্ড সভার মাধ্যমে করা যেতে পারে, প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ, ওয়ার্ডভিত্তিক পাঠাগার স্থাপন ও বিভিন্ন প্রকার বই সরবরাহ, সংবাদপত্র/ম্যাগাজিন সরবরাহ করা, বাল্যবিবাহের কুফল ও ইভটিজিং বা যৌন হয়রানি প্রতিরোধমূলক কর্মসূচি গ্রহণ।  জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশী তাই জন্ম-নিয়ন্ত্রণ এর ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে, মাতৃ মৃত্যু, ও শিশু মৃত্যু হার রোধে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের আরও সক্রিয় করতে হবে এবং ইউপি’র পক্ষ হতে সচেতনতা মূলক কার্যাবলী গ্রহণ করতে হবে, যেমন-ধাত্রীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, কমিউনিটি ক্লিনিক মেরামত/যন্ত্রপাতি সরবরাহ, বিনামূল্যে ঔষধ সরবরাহ, চক্ষু শিবির পরিচালনা, হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যাওয়ার রাস্তা/কালভার্ট মেরামত, ইপিআই কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য জনগণকে উদ্ভোদ্ধকরণ ও প্রচারণা, জলাশয় পরিষ্কার অভিযান, পয়ঃনিষ্কাশন ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা, পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে উদ্ভোদ্ধকরণ, প্রতিবন্ধীদের স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণে সহায়তা প্রদান করা ইত্যাদি আর এই বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্বারোপ করলেই, যে উদ্দেশ্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ পঞ্চবার্ষিকী  পরিকল্পনা  গ্রহণ করেছে তা ফলপ্রসূ হবে।
০২। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সুপারিশমালা নি¤œরূপ ঃ- যেহেতু অত্র ইউপি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রণয়ন করছে। তাই পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাতে কৃষি, মৎস্য, প্রাণি-সম্পদ বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এলাকার কৃষকগণ কৃষি উৎপাদনে যে সকল বিষয়ে অসুবিধার সম্মুখীন হন, উন্নত কৃষি বীজ সরবরাহ, গভীর/অগভীর নলকূপ স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ, সেচ সুবিধার জন্য ড্রেন নির্মাণ, পানি প্রবাহের জন্য কালভার্ট নির্মাণ, বেড়ীবাঁধ নির্মাণ, নতুন কৃষি পদ্ধতি ব্যবহারে উদ্ভোদ্ধকরণ, বৃক্ষরোপন কর্মসূচি গ্রহণ, কৃষি জমির জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, জৈব সারের ব্যবহার বৃদ্ধিতে উদ্ভোদ্ধকরণতার জন্য ইউপি পর্যায় থেকে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। ইউপি’তে  একটি তালিকা তৈরি করতে হবে, উক্ত তালিকার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় স্কীম/প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। অপরদিকে মৎস্য সম্পদ বাড়ানো এবং প্রাণি সম্পদের সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যে সকল সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়, যেমন-নতুন মৎস্য পোনা সরবরাহ এর অভাব, মাছ চাষের জন্য মাছের খাদ্য সরবরাহ এর অভাব, হাওড়, বিল ও উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য চাষ এর বাধা দূর করে চাষের সুযোগ সৃষ্টি করা, গবাদিপশু ও হাস-মুরগী পালনের জন্য যাতে জনগণ উৎসাহিত হয় তার জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগী যাতে  বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা না যায় তার জন্য  ইউপি’র পক্ষ হতে সচেতনতামূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যাবলী গ্রহণ করতে হবে। আর এই বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্বারোপ করলেই, যে উদ্দেশ্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ পঞ্চবার্ষিকী  পরিকল্পনা  গ্রহণ করেছে তা ফলপ্রসূ হবে।

০৩। স্যানিটেশন, পানি সরবরাহ ও পয়ঃ নিষ্কাশন বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সুপারিশমালা নি¤œরূপ ঃ- যেহেতু অত্র ইউপি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রণয়ন করছে। তাই পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাতে নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহ ও পয়:নিষ্কাশন এর লক্ষ্যে যেসকল বিষয়ে অসুবিধার সম্মুখীন হয়, সেসব বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্বারোপ করা  প্রয়োজন, গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন, রিং সরবরাহ (স্বাস্থ্যসম্মত  পায়খানার জন্য), নলকূপের পানিতে আর্সেনিক পরীক্ষাকরণ, নলকূপের গোড়া পাকা করা, ড্রেনেজ নির্মাণ ও সংস্কার, নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি ব্যবহারে জনগণকে উদ্ভোদ্ধকরণ ইত্যাদি ইউপি’র পক্ষ হতে সচেতনতামূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যাবলী গ্রহণ করতে হবে। আর এই বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্বারোপ করলেই, যে উদ্দেশ্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ পঞ্চবার্ষিকী  পরিকল্পনা  গ্রহণ করেছে তা ফলপ্রসূ হবে।

০৪। পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সুপারিশমালা নি¤œরূপ ঃ- যেহেতু অত্র ইউপি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ণ করছে। তাই পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাতে অবকাঠামো (রাস্তা/কালভার্ট) উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রকল্পের বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে, যেমন-বিদ্যালয়/মহাবিদ্যালয়/মাদ্রাসার সাথে সংযোগ স্থাপন, স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গমন, বাজারে/শহরে গমন, জলাবদ্ধতা নিরসন, মসজিদ এবং মন্দির, অন্যান্য উপাসনালয়ে গমন, সরকারি অফিসে বা স্থানীয় সরকার পরিষদে গমন ইত্যাদি অবকাঠামোগত উন্নয়ন যদি উপরোক্ত পঞ্চবার্ষিকীর  লক্ষ্যের সাথে সংগতিপূর্ণ হয় তাহলে ইউনিয়নের দারিদ্র বিমোচন হবে ও উন্নয়ন  ঘটবে এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিপ্লব সাধিত হবে। আর এই বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্বারোপ করলেই, যে উদ্দেশ্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ পঞ্চবার্ষিকী  পরিকল্পনা  গ্রহণ করেছে তা ফলপ্রসূ হবে।

 

০৫। পরিবেশ উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণ বিষয়ক স্থায়ী কমিটির  সুপারিশমালা নি¤œরূপ ঃ- যেহেতুু অত্র ইউপি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে। তাই পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাতে পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষনের ক্ষেত্রে যেসব বিষয়গুলোর প্রতি প্রাধান্য দেওয়া দরকার তা হলো- বৃক্ষরোপন, বৃক্ষনিধন এর ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা, পরিবেশের ক্ষতির প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, জৈবসার প্রয়োগ ও মাটির উর্বরতা বিষয়ক কৃষক  প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন দাতা সংস্থা (যেমন-শরিক, কেয়ার, জাইকা, পাউবো, হাঙ্গার, এজলাস) বা সরকারীভাবে  খাল-বিল, নালা ড্রেজিং করা ইত্যাদি।  আর এই বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্বারোপ করলেই, যে উদ্দেশ্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ পঞ্চবার্ষিকী  পরিকল্পনা  গ্রহণ করেছে তা ফলপ্রসূ হবে।

০৬। সমাজকল্যাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সুপারিশমালা নি¤œরূপ ঃ- যেহেতু অত্র ইউপি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে। তাই পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাতে সমাজকল্যাণের ক্ষেত্রে বয়স্কাভাতা, বিধবাভাতা, প্রতিবন্ধীভাতা, মাতৃত্বভাতা, ভিজিডি, ভিজিএফ, কৃষক তালিকা, মৎস্যজীবী তালিকা তৈরী ও  কার্ডধারী নির্বাচনের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত ওয়ার্ড সভায় আলোচনার মাধ্যমে এসব তালিকা তৈরী করা এবং তা ইউডিসিসি সভায় উপস্থাপনের মাধ্যমে চূড়ান্ত করা তাহলে তা একই ব্যক্তির/পরিবারের নাম দুইবার আসবে না এবং সরকারী/বেসরকারী সুযোগ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে সঠিক ভাবে দেওয়া সম্ভব হবে এবং কোন ওভারল্যাপিং না থাকায় তা ইউপি’র পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় অনবদ্য ভূমিকা রাখতে পারবে।  দূর্যোগ মোকাবেলার ক্ষেত্রে যে ধরণের কাজের প্রতি গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন তা  হলো-বন্যার সময় ছোট ডিঙ্গি নৌকা সরবরাহ, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও খাবার স্যালাইন সরবরাহ, দূর্যোগের সময় আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য পরিবহনের ব্যবস্থা করা এবং সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও কৃষকদের ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি।  আর এই বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্বারোপ করলেই, যে উদ্দেশ্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ পঞ্চবার্ষিকী  পরিকল্পনা  গ্রহণ করেছে তা ফলপ্রসূ হবে।
 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 


খাতভিত্তিক ইস্যু এবং সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটি সমূহের খাতভিত্তিক সুপারিশকৃত কার্যক্রমের তালিকা

(ক) শিক্ষা,স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক স্থায়ী কমিটি ঃ-
ক্রমিক    প্রকল্পের নাম    ওয়ার্ড নং    মন্তব্য
০১    ইউপি এবং স্থায়ী কমিটি কর্তৃক ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণকেন্দ্র এবং কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন।    ১-৯    
০২    ইউনিয়নে অবস্থিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান ইউপি এবং স্থায়ী কমিটি কর্তৃক পরিদর্শন।    ১-৯    
০৩    শিক্ষার মানউন্নয়নে ও ঝরেপড়া রোধে অভিভাবকদের নিয়ে বিষয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন।    ১-৯    
০৪    গর্ভবতী মহিলাদের গর্ভকালীন সময়ে করণীয় সম্পর্কে সচেতনতামূলক কার্যক্রম।    ১-৯    
০৫    পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে বিভিন্ন সভার মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করা।    ১-৯    
০৬    শত্রুমর্দন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও মাটি ভরাট।    ০৬    
০৭    ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ।    ০৪    
০৮    কসবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ এবং কম্পিউটার সরবরাহ।    ০৯    
০৯    শত্রুমর্দন কমিউনিটি ক্লিনিকের রাস্থায় সি.সি.ঢালাই।    ০৫    
১০    রথপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসবাবপত্র সরবরাহ।    ০৮    
১১    ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে আসবাবপত্র সরবরাহ।    ০৪    
১২    পাগলা সরকারি মডেল প্রাইমারী স্কুলে মাটি ভরাট।    ০৪    
১৩    ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের অপারেশন ও থিয়েটারের পর্দা ও টিউব লাইট সরবরাহ।    ০৪    
১৪    পাগলা স্কুল ও কলেজের উত্তর পাশের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও মাঠ সংস্কারকরণ।    ০৪    
১৫    ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে ও কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ।    ০৪    

(খ) স্যানিটেশন, পানি সরবরাহ ও পয়ঃ নিষ্কাশন বিষয়ক স্থায়ী কমিটি ঃ-
ক্রমিক    প্রকল্পের নাম    ওয়ার্ড নং    মন্তব্য
০১    নিরাপদ পানি পানের গুরুত্ব বুঝানোর জন্য ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডে সভার আয়োজন করা।    ১-৯    
০২    স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারী ল্যাট্রিন ব্যবহারের উপকারিতা সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিতকরণ।    ১-৯    
০৩    আর্সেনিক পানি পানের অপকারিতা বিষয়ক অবহিতকরণ সভা।    ১-৯    
০৪    ইনাতনগর গ্রামের ইন্তাজ আলীর বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০১    
০৫    ইনাতনগর গ্রামের আমিরুল হকের বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০১    
০৬    ইনাতনগর গ্রামের লালু মিয়ার বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০১    
০৭    চন্দ্রপুর গ্রামের আইনুল হক-এর বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০১    
০৮    নবীনগর গ্রামের নুর আহমদের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০১    
০৯    নবিনগর গ্রামের আঃ রুপ-এর বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০১    
১০    ইনাতনগর গ্রামের তাহার আলীর বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০১    
১১    চন্দ্রপুর গ্রামের আবু সাঈদ-এর বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০১    
১২    ইনাতনগর গ্রামের মারাজ আলীর বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০১    
১৩    ইনাতনগর গ্রামের আলাউদ্দিন-এর বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০১    
১৪    ইনাতনগর গ্রামের কনর মিয়ার বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০১    
১৫    ইনাতনগর গ্রামের আলী আকবরের বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০১    
১৬    চন্দপুর গ্রামের লতিফ মিয়ার বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০২    
১৭    রায়পুর গ্রামের আতর-এর বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০২    
১৮    রায়পুর গ্রামের মিরাজ-এর বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০২    
১৯    রায়পুর-এর জুম্মা ঘরে নলকূপ স্থাপন।    ০২    
২০    চন্দপুর গ্রামের আলীম উদ্দিনের বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০২    
২১    রায়পুর গ্রামের আসকর আলীর বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০২    
২২    চন্দপুর গ্রামের লোকমানের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।        
২৩    কাদিপুর গ্রামের নুরুল হকের বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৩    
২৪    কাদিপুর গ্রামের সিরাজ মিয়ার বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৩    
২৫    কাদিপুর ফারুক মিয়ার বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৩    
২৬    ইসলামপুর সিরাজ মিয়ার বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৩    
২৭    কাদিপুর আলমের বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৩    
২৮    ইসলামপুর শহিদুল ইসলাম বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৩    
২৯    ইসলামপুর মুসলিম মিয়ার বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৩    
৩০    কাদিপুর গ্রামের আলিফ শাহর বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৩    
৩১    কাদিপুর গ্রামের রশিদ মিয়ার বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৩    
৩২    কাদিপুর গ্রামের ফয়েজ মিয়ার বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৩    
৩৩    শত্রুমর্দন গ্রামের পেশকার-এর বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৪    
৩৪    শত্রুমর্দন গ্রামের কুদরত-এর বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৪    
৩৫    শত্রুমর্দন গ্রামের মিলন বিবির বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৪    
৩৬    কান্দিগাঁও  গ্রামের আমুক মিয়ার বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৪    
৩৭    শত্রুমর্দন গ্রামের গফুরের বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৪    
৩৮    শত্রুমর্দন গ্রামের আরশ আলীর বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৪    
৩৯    শত্রুমর্দন গ্রামের আসিকের বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৪    
৪০    শত্রুমর্দন গ্রামের আব্দুর রহিম-এর বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৫    
৪১    শত্রুমর্দন গ্রামের দিলসাদ-এর বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৫    
৪৮    শত্রুমর্দন গ্রামের ফনি পাল বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৫    
৪৯    শত্রুমর্দন গ্রামের মনু দে বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৫    
৫০    শত্রুমর্দন গ্রামের মহেশ নাথের বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৫    
৫১    শত্রুমর্দন গ্রামের ইব্রাহিম আলীর বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৫    
৫২    শত্রুমর্দন গ্রামের অপন পালের বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৫    
৫৩    শত্রুমর্দন গ্রামের প্রফুল্ল নাথের বাড়ির সামনে  জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৫    
৫৪    শত্রুমর্দন গ্রামের জগন্নাথ মহাপ্রভুর আখড়ায় জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৫    
৫৫    শত্রুমর্দন গ্রামের আবুলের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৫    
৫৬    শত্রুমর্দন গ্রামের সজল পালের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৫    
৫৭    শত্রুমর্দন গ্রামের গফফার-এর বাড়ীর সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৬    
৫৮    শত্রুমর্দন গ্রামের সুসেন দাসের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৬    
৫৯    শত্রুমর্দন গ্রামের পবিত্র-এর বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৬    
৬০    শত্রুমর্দন গ্রামের নিতাই দাসের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৬    
৬১    শত্রুমর্দন গ্রামের অদৈত্য সূত্রধরের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৬    
৬২    শত্রুমর্দন গ্রামের মুসলিম মিয়ার বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৬    
৬৩    শত্রুমর্দন গ্রামের নিপেন্দ্র দাসের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৬    
৬৪    শত্রুমর্দন গ্রামের মনিন্দ্র সূত্রধরের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৬    
৬৫    শত্রুমর্দন গ্রামের সুধীর চন্দের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৬    
৬৬    শত্রুমর্দন গ্রামের রবীন্দ্র সূত্রধর-এর বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৬    
৬৭    শত্রুমর্দন গ্রামের নিখীল সূত্রধর-এর বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৬    
৬৮    শত্রুমর্দন গ্রামের শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ জিউড়  আখড়ায় জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৬    
৬৯    শত্রুমর্দন গ্রামের ময়না দেব-এর বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৬    
৭০    ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের রঞ্জু দাসের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৭    
৭১    ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের সমরাজ-এর বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৭    
৭২    ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের নান্টু দাসের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।     ০৭    
৭৩    ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের চমক আলীর বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৭    
৭৪    ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের আব্দুছ ছমাদের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৭    
৭৫    ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের আলালের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।     ০৭    
৭৬    ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের কাচার বাড়ীতে বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।     ০৭    
৭৭    ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের ভানু বিশ্বাসের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।     ০৭    
৭৮    ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের নুরুল ইসলামের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।     ০৭    
৭৯    ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের ছালিম উদ্দিনের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।     ০৭    
৮০    ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের খালিক মাষ্টারের বাড়ির সামনে জনস্বার্থে ১টি নলকূপ স্থাপন।    ০৮    
৮১    ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের মছব্বির মিয়ার বাড়ির সামন